Dhaka post
ঢাকাবুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. খেলা
  3. চাকরি
  4. জীবনযাপন
  5. বাণিজ্য
  6. বাংলাদেশ
  7. বিনোদন
  8. বিশ্ব
  9. মতামত
  10. রাজনীতি
  11. সর্বশেষ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাটাখালী হাফেজিয়া দারুল কোরআন ফুরকানিয়া মাদ্রাসা ও খানাকাহ এবং এর সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন…

Link Copied!

কাটাখালী হাফেজিয়া দারুল কোরআন ফুরকানিয়া মাদ্রাসা ও খানাকাহ এবং এর সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগে
সংবাদ সম্মেলন…

১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সময়ের পরিক্রমায় যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য। সেই টেকনাফের কাটাখালী হাফেজিয়া দারুল কোরআন ফুরকানিয়া মাদ্রাসা ও খানাকাহের সম্পত্তি নিয়ে এবার উঠেছে দখল ও লুটপাটের অভিযোগ। প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শাহ সুফি আব্দুল কাদের ফকিরের একমাত্র ছেলে আলহাজ্ব হাফেজ জালাল আহম্মদ এ অভিযোগ তুলেছেন।

বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর বাবার মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠানটির জায়গা-জমি, মার্কেট ও অন্যান্য সম্পত্তি কয়েকজন ব্যক্তি দখলে নেন। তাঁর দাবি, প্রতিষ্ঠানের নগদ অর্থ ও সম্পদসহ এক কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের সম্পদ লুটপাট করা হয়েছে। একই সঙ্গে জমি ও মার্কেটের আয়-ব্যয়েরও যথাযথ হিসাব দেওয়া হয়নি।

জালাল আহম্মদ জানান, তাঁর বাবা ১৯৭০ সালে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাখালী এলাকায় মাদ্রাসা ও খানাকাহটি প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক সাধনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ এখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ওরশে অংশ নিতেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক কর্তৃক তাকে গত ২৩ জুন তিন বছরের জন্য মোতুয়াল্লী নিয়োগ প্রদান করলেও এই আদেশ মানছেনা দখলদাররা

তাঁর অভিযোগ, ২০০৬ সালের ২৬ নভেম্বর বাবার মৃত্যুর পর স্থানীয় মৃত হোসেন আলীর সন্তান ছৈয়দ আমিন, রশিদ আমিন, নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আমিন ও জুলেখা বেগমসহ কয়েকজন প্রতিষ্ঠানটির সম্পত্তি দখলে নেন। এ ছাড়া অভিযুক্তদের কয়েকজন ১৯৭৮ সালে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে নাগরিকত্ব নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়সহ সম্পত্তির মালিকানা, দখল ও আয়-ব্যয়ের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন জালাল আহম্মদ।

জালাল আহম্মদ আরও বলেন, ‘সম্পত্তির মালিকানা, দখল ও আয়-ব্যয়ের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য বের করা হোক। আমরা কোনো সংঘাত চাই না; আইন ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি সুরক্ষা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করাই আমাদের দাবি।’

অভিযুক্ত নুরুল আমিন বলেন, ‘মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্ব ফরাজ খাতুন ছৈয়দ আমিনকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। জায়গাটির মালিক ফকির সাহেব নন, ফরাজ খাতুন। মৃত্যুর আগে তিনি আমাদের নামে জায়গাটি লিখে দিয়ে গেছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও আদালতের রায় ভুয়া। বর্তমানে জায়গাটি আমাদের দখলে রয়েছে।’

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ওয়াক্ফ মোতাওয়াল্লি নিয়োগ দিলে প্রতিষ্ঠানের দেখভাল ও পরিচালনার দায়িত্ব তাঁর ওপর বর্তায়। কেউ এ নিয়ম অমান্য করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।