Dhaka post
ঢাকারবিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. খেলা
  3. চাকরি
  4. জীবনযাপন
  5. বাণিজ্য
  6. বাংলাদেশ
  7. বিনোদন
  8. বিশ্ব
  9. মতামত
  10. রাজনীতি
  11. সর্বশেষ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রতিটি শিক্ষার্থীর অর্জন ও সাফল্যের পেছনে রয়েছে বাবা-মায়ের ভালোবাসার ও ত্যাগের গল্প: মাহ্‌দী আমিন

তাওহীদ পাটোয়ারী মনির
অক্টোবর ১১, ২০২৬ ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রতিটি শিক্ষার্থীর অর্জন ও সাফল্যের পেছনে রয়েছে বাবা-মায়ের ভালোবাসার ও ত্যাগের গল্প: মাহ্‌দী আমিন

তাওহীদ পাটোয়ারী মনির

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) এর ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জনাব মাহ্‌দী আমিনের বক্তব্য:

একজন গ্র্যাজুয়েটের জীবনে, বিশেষ করে স্নাতক বা ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের পর, সমাবর্তনে উপস্থিত হওয়া জীবনে একবারের একটি অনন্য সুযোগ। এটি এমন একটি দিন যা আপনারা সারা জীবন স্মরণ রাখবেন।

আজ যখন আপনারা আপনাদের সমাবর্তন উদযাপন করছেন, আমরা নিশ্চিতভাবেই বুঝতে পারছি যে আপনাদের জীবনে অনেক বড় বড় স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। আপনারা ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন, তা উচ্চশিক্ষায় একাডেমিয়াতেই হোক, মাস্টার্স বা পিএইচডি করার পরবর্তী ধাপেই হোক, পেশাগত ক্যারিয়ারের চাকরিতেই হোক, যা আপনারা বাংলাদেশে কিংবা দেশের বাইরে শুরু করতে যাচ্ছেন, কিংবা আপনাদের কোনো উদ্ভাবনী চিন্তাই হোক না কেন, সবকিছুই ভবিষ্যৎমুখী। এবং এটি অসাধারণ, কারণ এটি আপনারা অর্জন করেছেন। আজ আপনারা যে সার্টিফিকেটটি পেয়েছেন, তা আপনাদের একটি আলোকিত এবং সমৃদ্ধ ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করবে।

কিন্তু একই সাথে আমি আপনাদের পেছনের পথচলাটির দিকেও তাকাতে বলব। আজকে যে বর্তমান আপনারা পেয়েছেন, তা যেমন আপনাদের ভবিষ্যৎ দেবে, তেমনি এর পেছনে রয়েছে এক গৌরবোজ্জ্বল অতীত। শিক্ষাজীবনের এই বছরগুলোতে আপনারা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন, পরীক্ষার নানান উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা পার করেছেন, ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন দুশ্চিন্তা অতিক্রম করেছেন। কিন্তু আজ আপনারা এই সমাবর্তনে উপস্থিত হয়েছেন আপনাদের পিতা-মাতার লক্ষ্যপূরণ করে।

আপনারা এমন একটি অতীত ও প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে এসেছেন যার রয়েছে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার। আইইউটি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হিসেবে টিকে রয়েছে। সম্ভবত এটি দেশের সবচেয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ও বটে। এটি অত্যন্ত সুন্দর একটি ক্যাম্পাস, যার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে অসাধারণ সব প্রতিভাবান প্রকৌশলী তৈরি করার; যাঁরা বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে সারা বিশ্বে বাস্তব প্রভাব রেখেছেন। কাজেই গ্র্যাজুয়েট হিসেবে আপনারা যখন বের হয়ে আসছেন, আপনারা সাথে নিয়ে আসছেন আইইউটির সেই ব্র্যান্ডিং।

আর ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছেও আইইউটির একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। কারণ আমরা যে রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত, সেই দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আরেক মহান নেতা ইয়াসির আরাফাতকে সাথে নিয়ে এই আইইউটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। তাই মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ক্ষেত্রে আইইউটির এক বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বহুবার এই ক্যাম্পাসে এসেছেন এবং সমাবর্তনে অংশ নিয়েছেন। এবং আমি বিশ্বাস করি, বর্তমানে বিএনপি সরকার দেশ পরিচালনায় থাকায়, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানও আগামী দিনগুলোতে একইভাবে এখানে আসবেন, ইনশাআল্লাহ।

এই আইইউটি দাঁড়িয়ে আছে একটি প্রতীক হিসেবে, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যকার ঐক্যের প্রতীক। এটি নির্দেশ করে যে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আমাদের ভ্রাতৃত্ব রয়েছে, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য রয়েছে এবং আমরা একটি যৌথ ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাস রাখি।

আজ যখন আপনারা সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে বের হচ্ছেন, এটি কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিষয় নয়। অবশ্যই শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, একাডেমিক শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা যা শিখেছেন এবং যে দক্ষতা আপনারা অর্জন করেছেন, তা আগামী দিনে আপনাদের জীবনকে পথ দেখাবে। কিন্তু একই সাথে পেছনের দিকে তাকালে বোঝা যায়, শিক্ষার পাশাপাশি যে অভিজ্ঞতা আপনারা সঞ্চয় করেছেন, যে বন্ধুত্ব আপনারা গড়ে তুলেছেন, যে দক্ষতা আপনারা অর্জন করেছেন এবং শিক্ষার্থী হিসেবে এখানে থাকাকালীন যে সুযোগ ও পরিমণ্ডল আপনারা পেয়েছেন, তার সবই আপনাদের জীবনে এক বড় পরিবর্তন এনে দেবে।

আপনাদের কাছে আজ আমার একটি প্রশ্ন রয়েছে, আপনাদের এই ডিগ্রি, যে জ্ঞান আপনারা লাভ করেছেন এবং যে সার্টিফিকেট আপনারা পেয়েছেন, তা দিয়ে আপনারা কী করবেন?

এখানে মূলত দুটি বিকল্প রয়েছে। একটি হলো কেবল নিজের কথা ভাবা। কারণ আপনারা অত্যন্ত মেধাবী ও প্রতিভাবান মানুষ, আপনারা নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে পারেন, একাডেমিক ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপে যাওয়া, বাজারে সবচেয়ে ভালো চাকরিটি নিশ্চিত করা, কিংবা হয়তো নিজের ব্যবসা শুরু করা, নিজের উদ্ভাবনী চিন্তাগুলোকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। একজন ব্যক্তি হিসেবে এগুলোর সবই চমৎকার।

কিন্তু আপনারা এমন গ্র্যাজুয়েট যাঁদের রয়েছে সবচেয়ে বড় শক্তি এবং অপার সম্ভাবনা। আপনাদের সেই মেধা রয়েছে, দক্ষতা রয়েছে এবং সুযোগ ও সম্পদ রয়েছে, যা সব গ্র্যাজুয়েটের থাকে না। কাজেই সম্ভবত আপনাদের ওপর বর্তায় এক বৃহত্তর দায়িত্ব। আপনাদের নিজ সমাজের প্রতি, মানবতার প্রতি এক বড় দায়িত্ব, যাতে আপনারা মানুষের জীবনে সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে পারেন, একটি বাস্তব প্রভাব ফেলতে পারেন। সব গ্র্যাজুয়েটের সেই সক্ষমতা থাকে না, কিন্তু আপনাদের অনেকেরই তা রয়েছে। তাই আমরা আপনাদের উৎসাহিত করব এমন দায়িত্বশীল নাগরিক হতে, যাঁরা নেতৃত্ব দিতে পারেন এবং জীবনে সফল হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নতুন মানদণ্ড তৈরি করতে পারেন।

আমরা এমন এক সময়ে এসে দাঁড়িয়েছি যখন প্রযুক্তির ধারা পরিবর্তিত হচ্ছে, সামগ্রিক পরিমণ্ডল বদলে যাচ্ছে। আমরা প্রতিনিয়ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কথা বলছি, রোবোটিক্স নিয়ে কথা বলছি। এআই হয়তো বড় বড় ডেটা তৈরি বা তা বিশ্লেষণের কাজ করতে পারে, এআই হয়তো কোড লিখতে পারে, এআই দারুণ সব আইডিয়া ও উদ্ভাবন তৈরি করতে পারে। কিন্তু কীভাবে আপনারা তা পরিচালনা করবেন, কীভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করবেন, তা প্রযুক্তির ওপর নয়, মানুষের ওপর নির্ভর করে।

তাই আপনাদের মূল্যবোধ, আপনাদের নৈতিক আদর্শই সর্বদা নির্ধারণ করবে প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহৃত হবে। মানুষের সুবিবেচনা ও সততা, আমরা প্রযুক্তিকে মানবজাতির কল্যাণে ব্যবহার করছি নাকি কোনো অকল্যাণে ব্যবহার করছি, তা মূলত আপনাদের ওপরই নির্ভর করবে। এবং আপনারাই হলেন সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। কেবল প্রযুক্তি বা আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের ব্যবহারের ক্ষেত্রে নয়, বরং এই প্রযুক্তি সমাজকে সাহায্য করবে নাকি সম্প্রদায়ের জন্য বাধা সৃষ্টি করবে, তা নির্ধারণেও আপনারা সিদ্ধান্তকারী।

তাই আমরা আপনাদের আহ্বান জানাব এমন মানুষ হয়ে উঠতে, যাঁরা সর্বদাই সমাজের যত্ন নেবেন এবং মানুষের ক্ষমতায়নে, নারীর ক্ষমতায়নে, শিশুর ক্ষমতায়নে ও তরুণদের ক্ষমতায়নে বাস্তব প্রভাব ফেলার দায়িত্ব থেকে কখনোই পিছিয়ে যাবেন না।

আমরা চাই আমাদের প্রকৌশলী ও গ্র্যাজুয়েটরা, তা কারিগরি শিক্ষা থেকে হোক, ব্যবস্থাপনা থেকে হোক কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অন্য যেকোনো শাখা থেকেই হোক, শিল্পখাতকে বদলে দেবেন, সমস্যার সমাধান করবেন এবং বাস্তবসম্মত প্রশ্ন তুলবেন। আপনাদের অনেকে অসাধারণ গবেষক হবেন। আমরা চাই আপনারা বাস্তব বিশ্বের সমস্যার সমাধান করুন এবং আপনাদের উদ্ভাবিত আইডিয়াগুলো যেন সমাজকে রক্ষা করতে পারে।

বিশ্বজুড়ে অসাধারণ সব আইডিয়া সামনে আসছে। প্রযুক্তির পরবর্তী সেরা উদ্ভাবনটি যে কেবল সিলিকন ভ্যালি থেকেই আসতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আমি বিশ্বাস করি, এবং আপনাদের অনেকেই বিশ্বাস করেন, এই ক্যাম্পাসের গ্র্যাজুয়েটদের মধ্য থেকেই, আইইউটির গ্র্যাজুয়েটদের মধ্য থেকেই প্রযুক্তির পরবর্তী যুগান্তকারী বিপ্লব তৈরি হতে পারে। সেই সম্ভাবনা রয়েছে, সেই শক্তি রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সঠিক সহায়তা প্রদান এবং আপনাদের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পথ দেখিয়ে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

আজ এখানে আমি অনেক বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীকে দেখছি। এই আন্তর্জাতিক গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি আমার অনুরোধ, আপনারা যেখানেই যান না কেন, আইইউটির এই চিন্তাকে ধারণ করে নিয়ে যাবেন। আমরা জানি আমাদের দেশ, সংস্কৃতি ও ভাষার মধ্যে হয়তো নানা ভিন্নতা থাকতে পারে; কিন্তু আমাদের চ্যালেঞ্জ, আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, আমাদের মূল্যবোধ এবং মুসলিম বিশ্বের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারগুলো অভিন্ন, সেগুলো অনেকটা একই। তাই আমরা আপনাদের উৎসাহিত করি যেন জ্ঞানই হয় আমাদের অভিন্ন ভাষা, উদ্ভাবনই হয় আমাদের অভিন্ন স্বার্থ এবং মানবতাই হয় আমাদের সামগ্রিক লক্ষ্য।

বাংলাদেশ কিংবা সারা বিশ্বের প্রতিটি শিক্ষার্থীর অর্জন ও সাফল্যের পেছনে রয়েছে তাঁদের বাবা-মায়ের ভালোবাসার গল্প, ত্যাগের গল্প, ধৈর্যের গল্প, ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প, হয়তো কঠিন সংগ্রামের গল্প। তাই পরিবারের সদস্যদের এই অবদানের কথা স্মরণ রাখুন এবং হৃদয় থেকে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।

আপনাদের শিক্ষকরা আপনাদের জ্ঞান দিয়েছেন, আপনাদের পরিবার আপনাদের শেকড় ও আত্মপরিচয় দিয়েছে, আর আপনাদের শিক্ষা ও এই ডিগ্রি আপনাদের ওড়ার ডানা দিয়েছে। কিন্তু কোন দিকে উড়বেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের। আপনাদের যে মেধা ও শক্তি রয়েছে তা কীভাবে কাজে লাগাবেন এবং বৃহত্তর সমাজের প্রতি দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের।

আমি আপনাদের আবারও আহ্বান জানাব, এমন কিছু তৈরি করুন যা স্থায়ী হয়, এমন সমস্যার সমাধান করুন যা মানুষের জন্য জরুরি, সাহসের সাথে নেতৃত্ব দিন, বিনয়ের সাথে সেবা করুন, অর্জিত আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান এবং বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করুন।

আপনাদের যে ডিগ্রি ও সার্টিফিকেট রয়েছে, তা নিয়ে বুঝুন যে বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বাইরে এক বিশাল ও উন্মুক্ত বিশ্ব রয়েছে যেখানে আপনাদের পৌঁছাতে হবে। তাই যা অর্জন করেছেন তা দিয়ে আইইউটি, পরিবার, সমাজ এবং নিজেকে গর্বিত করুন এবং নিজের ক্যারিয়ারে আলো ছড়াতে থাকুন।

আমি সকল গ্র্যাজুয়েটকে অভিনন্দন জানাই। আপনাদের জ্ঞান প্রগতি বয়ে আনুক, আপনাদের চরিত্র আরও সম্মান অর্জন করুক। এবং আমি বিশ্বাস করি আপনারা এমন এক জীবন গড়ে তুলবেন যার মাধ্যমে এই বিশ্ব আরও সুন্দর হবে এবং আপনাদের প্রভাব হবে আরও সুদূরপ্রসারী।
ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত জীবনে আপনাদের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি। এবং আমি বিশ্বাস করি, আপনারা সবাই মিলে আজকের বাংলাদেশকে বদলে দেবেন এবং বিশ্বজুড়ে এক বড় প্রভাব বিস্তার করবেন।

সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।