Dhaka post
ঢাকাশনিবার , ১৫ আগস্ট ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. খেলা
  3. চাকরি
  4. জীবনযাপন
  5. বাণিজ্য
  6. বাংলাদেশ
  7. বিনোদন
  8. বিশ্ব
  9. মতামত
  10. রাজনীতি
  11. সর্বশেষ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লামায় বিশ্ব হাতি দিবসে ৯ লাখ টাকার সহায়তা।

করিম, লামা-আলীকদম প্রতিনিধি
আগস্ট ১৫, ২০২৬ ৬:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লামায় বিশ্ব হাতি দিবসে ৯ লাখ টাকার সহায়তা।

মানুষ-হাতি সহাবস্থানের আহ্বান।

‘বিশ্বজুড়ে ঐক্য গড়ি, হাতির জীবন রক্ষা করি’, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামায় বিশ্ব হাতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, সচেতনতামূলক সভা, উঠান বৈঠক এবং হাতির আক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৯ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে লামা সদর রেঞ্জ ও লামা বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ফাঁসিয়াখালী-কুমারী এলাকার জাবানুল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচির শুরুতে বিদ্যালয় মাঠ থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সচেতনতামূলক সভায় মিলিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন বলেন, বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় হাতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বনভূমি সংকোচন, হাতির আবাসস্থল ও বিচরণপথে মানুষের অনুপ্রবেশসহ নানা কারণে মানুষ ও হাতির সংঘাত দিন দিন বাড়ছে। এ সংঘাত নিরসনে হাতির নিরাপদ আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সচেতন করে তোলা জরুরি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডুলুছড়ি রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জ কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন। এ সময় লামা সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম কবির উদ্দিনসহ বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটির কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাতির আক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চারজনের মধ্যে মোট ৯ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়। আবুল হোসেনকে ৩ লাখ, হুমাইরা বেগমকে দেড় লাখ, ক্ষতিজা বেগমকে দেড় লাখ এবং নুরজাহান বেগমকে ৩ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়।

পরে স্থানীয় জনগণকে নিয়ে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাতির চলাচলের লক্ষণ শনাক্তকরণ, হাতির উপস্থিতি টের পেলে করণীয়, নিরাপদে অবস্থান গ্রহণ এবং মানুষ ও বন্য হাতির সংঘাত এড়িয়ে সহাবস্থান নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ ও হাতির সংঘাত নিরসন সম্ভব নয়। হাতির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করার পাশাপাশি বন সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। হাতির বিচরণপথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করা এবং হাতির উপস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে আক্রমণাত্মক আচরণ না করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

এছাড়াও বক্তারা বলেন, হাতি কেবল একটি বন্যপ্রাণী নয়; এটি বনজ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই হাতি রক্ষার মাধ্যমে প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। মানুষ ও বন্য হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণ, বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।