Dhaka post
ঢাকাবুধবার , ৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. খেলা
  3. চাকরি
  4. জীবনযাপন
  5. বাণিজ্য
  6. বাংলাদেশ
  7. বিনোদন
  8. বিশ্ব
  9. মতামত
  10. রাজনীতি
  11. সর্বশেষ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জয়কে হত্যার পরেও এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবারকে জীবিত দেখিয়ে মুক্তিপণ আদায়

Link Copied!

টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মেধাবী ছাত্র রাকিবুল হোসেন জয়কে ঢাকায় নিজের কক্ষে হত্যার পর কার্টুনে ভরে বাসে করে নীলফামারীর ডিমলায় নিয়ে এসে লাশ মাটিচাপা দেয় তার বন্ধু আবদুল্লাহ আল মামুন।

এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে জয়কে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও বানিয়ে পরিবারের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ।

অবশেষে ক্লুলেস এ ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে অভিযুক্ত আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারীর ডিমলা থেকে মাটি খুঁড়ে নিহত কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের দাদীর আটা গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে।

অভিযুক্ত আবদুল্লাহ আল মামুন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ছাতনাই বালাপাড়া এলাকার আফসার আলীর ছেলে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার ধানমন্ডির শুক্রাবাদ এলাকায় রাকিবের সঙ্গে মামুনের পরিচয় ও বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

মামুনের ভাষ্যমতে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার একটি মেসে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও সম্পর্কের অবনতি হলে একপর্যায়ে রাকিবকে শ্বাসরোধে হত্যা করে সে।

হত্যার পর ঘটনা ঘটনা ধামাচাপা দিতে লাশ কার্টুনে ভরে বাসা থেকে বের হয় মামুন।

ঢাকার কল্যাণপুর থেকে রংপুরগামী একটি বাসে ওঠার পর সহযাত্রী ও চালকের সহকারীরা কার্টুনে কী আছে জানতে চাইলে সে ভেতরে ‘ইলিশ মাছ’ রয়েছে বলে জানায়।

পরে রংপুরে নেমে স্থানীয় বাসে করে ডিমলায় নিজ বাড়িতে পৌঁছায় এবং বসতঘরের পাশে কার্টুনসহ জয়ের লাশটি মাটিচাপা দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যায়।

ঢাকায় ফিরে মামুন নিখোঁজ রাকিবকে জীবিত দেখিয়ে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় কৃত্রিম ভিডিও তৈরি করে পরিবারের কাছে পাঠায় এবং পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবার পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও রাকিবকে মুক্তি দেওয়া হয়নি।

পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে ঢাকায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তদন্তে নামে পুলিশ।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ৩ অক্টোবর ঢাকা থেকে মামুনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই সে হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দেয়।

এ ঘটনায় ৫ অক্টোবর রাজধানীর কাফরুল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতের পরিবার।

মামুনকে সঙ্গে নিয়ে ডিমলা থানা-পুলিশের সহায়তায় মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে বালাপাড়ার একটি স্থান থেকে মাটি খুঁড়ে রাকিবের অর্ধগলিত লাশ উত্তোলন করা হয়।

হত্যাকাণ্ডে রতন (২৬) ও নুর জামাল (২৫) নামে আরও দুজনের জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছে মামুন; তাদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নীলফামারীর ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, কাফরুল থানার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আসামির দেখানো স্থান থেকে আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।