ভারতে যাওয়ার পথে দর্শনা ইমিগ্রেশনে গ্রেপ্তার আ. লীগ নেতা এম এ খালেক
মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি: তন্ময় মন্ডল
চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে যাওয়ার সময় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হয়েছেন নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের মেহেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে দর্শনা ইমিগ্রেশনে তার কাগজভত্রিপত্র যাচাইয়ের সময় সন্দেহ হলে পুলিশ গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তা নেয়। এ সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তীতে মেহেরপুর থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে মেহেরপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়।
গ্রেপ্তার এম এ খালেকের বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী বাজারের থানা রোড এলাকায় এবং তার পিতার নাম মোজাহার আলী বিশ্বাস।
তার ছেলে আসিফ রেজা বলেন, ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং তার হার্টে ব্লক রয়েছে। বাইপাস সার্জারি করানোর জন্যই তাকে ভারতে নিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু ইমিগ্রেশনে তাকে আটকে দেওয়া হয়। আমার জানামতে, তার বিরুদ্ধে কোনো নিয়মিত মামলা নেই এবং যে কয়টি মামলা রয়েছে, সেগুলোতে তিনি জামিনে আছেন।’
দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সাব-ইন্সপেক্টর মো. তারিক জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা থাকায় তার ওপর সন্দেহ হয় এবং গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এম এ খালেকের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল গাংনী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় একটি মামলা (নম্বর ১৫) দায়ের করা হয়েছিল। ওই মামলাতেই তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. জামিনুর রহমান খান জানান, দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে বিষয়টি জানানোর পর পুলিশের একটি দল দ্রুত সেখানে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয় এবং মেহেরপুরে নিয়ে আসে।

