রাত পোহালেই বিশ্বকর্মা পুজো,বাজারে ফুল ও ফলের দাম আগুন।
আজ ১৭ ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। রাত পোহালেই কলকাতা জুড়ে সারা পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় মেতে উঠবে শ্রমিক কর্মচারীরা, চলছে মৃত শিল্পীদের প্রতিমার কাজ শেষ করার তোড়জোড় এবং অন্যদিকে ক্রেতা বিক্রেতাদের ভিড় বাজারে বাজারে। বাজারে জিনিসের দাম আগুন, ক্রেতাদের মাথায় হাত।
আগামীকাল বিশ্বকর্মা পুজো, তারই প্রস্তুতি চলছে, কলকারখানা থেকে শুরু করে অটো ও রিক্সাওয়ালাদের প্যান্ডেল তৈরির কাজ। অন্যদিকে ভিড় জমিয়েছেন কুমারটুলি পাড়া থেকে শুরু করে বাজারে বাজারে প্রতিমা কিনতে, বিক্রেতারা বিভিন্ন ধরনের প্রতিমা সাজিয়ে বসে, কিন্তু বাদ সেধেছে বৃষ্টি, দুপুর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ সহকারে পবন বৃষ্টির ফলে বিক্রেতাদের মাথায় কিছুটা হাত কারণ, বৃষ্টির জন্য ক্রেতারা আসছে না, তার উপর প্রতিমা থেকে শুরু করে জিনিসের দাম আগুন।।
তবে এবারে কুমারটুলি পাড়ায়, বিশ্বকর্মা তৈরি হলেও, শ্রীরাম এর বিশ্বকর্মা একটা আলাদা ঐতিহ্য বয়ে নিয়ে চলেছে ,দুর্গা প্রতিমা, জগদ্ধাত্রী ও কালী এবং বিশ্বকর্মা শ্রীরাম মৃৎশিল্প থেকে পাড়ি দেয় ভিনদেশে, এবারও বাদ সাধেনী, শ্রীরাম মৃৎশিল্পের প্রতিমা কলকাতা ছাড়িয়ে জেলায় জেলায় পৌঁছে গেছে, এবং ভিড় জমাচ্ছে রাম মৃৎশিল্পে যদি একটা প্রতিমা পাওয়া যায়। সত্যি বিশ্বকর্মা প্রতিমা গুলো দেখলে চোখ ফেরানো কঠিন, অন্যরূপে সেজে উঠেছে বিশ্বকর্মা।
ক্রেতারা বলেন, দাম একটু বেশি হলেও আমাদের মন কেড়ে নেয় শ্রীরাম মিছিল পেয়ে প্রতিমা কিনতে এসে। কাহার প্রতিমা জাপান থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিয়ে থাকে।
আর বিশ্বকর্মা পুজো মানেই, আলাদা আনন্দ চোখে পড়ে, কারখানার শ্রমিক থেকে শুরু করে, বাসের কন্টাকটার, অটোচালক, রিক্সাচালক, এমনকি বিভিন্ন দোকানে পুজো হয়ে থাকে, এবং আনন্দে মেতে উঠে।
আজ বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে ফলের দাম, শসা একশো টাকা কেজি,, কাঁঠালি কলা টাকা থেকে ৯০ টাকা ডজন, আপেল আড়াইশো থেকে ৩০০ টাকা, পেঁপে ১০০ টাকা কেজি, পেয়ারা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ডাব ঘটে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস, গাঁদা ফুলের চেন ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা, রজনীগন্ধার ছোট মালা ২৫ থেকে ৩০ টাকা পিস, কুচো ফুল মিনিমাম 50 টাকা, কল গাছ দুটো 40 থেকে 50 টাকা, নারিকেল এক পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকা, জবার মালা ছোট পনেরো থেকে কুড়ি টাকা বড় দেড়শ থেকে 200 টাকা, রজনীগন্ধার গোরের মালা 300 থেকে 350 টাকা। বেদানা ২০০ টাকা কেজি। এইভাবে জিনিসের দাম বাড়ায় পূজা উদ্যোক্তারা মাথায় হাত দিয়েছেন কিনতে এসে। তাহারা জানান জিনিসের দাম বাড়লেও কিছু করার নাই ততটুকু সম্ভব কিনে মায়ের পুজো দেওয়া হয়।

