টানা পাঁচবার নির্বাচিত ইউপি সদস্য মল্লিক আমিনুর রহমান
জনসেবায় দীর্ঘ পথচলা, মানুষের আস্থায় অনন্য দৃষ্টান্ত
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি মল্লিক আমিনুর রহমান। পশ্চিম কৈখালী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মল্লিক পরিবারে জন্ম নেওয়া এই জনপ্রতিনিধি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মল্লিক আমিনুর রহমান কৈখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে টানা পাঁচবার নির্বাচিত হয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে একই ওয়ার্ডের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার মধ্য দিয়ে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্থানীয়রা উল্লেখ করেন—সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করা এবং তা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও উদ্যোগ গ্রহণ। রাস্তা-ঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, সামাজিক অবকাঠামোসহ বিভিন্ন স্থানীয় সমস্যা নিয়ে তিনি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে মল্লিক আমিনুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে একটি নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তাঁর সাহসিকতা, অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে যাওয়ার গুণ তাঁকে স্থানীয়ভাবে পরিচিতি এনে দিয়েছে।
টানা পাঁচবার নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তাঁর দীর্ঘ জনপ্রতিনিধিত্বের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। একই এলাকার মানুষের কাছ থেকে বারবার নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করার মধ্য দিয়ে তিনি কৈখালী ইউনিয়নের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিত্বের ইতিহাসে নিজের একটি অবস্থান তৈরি করেছেন।
মল্লিক আমিনুর রহমানের পথচলার মূল শক্তি হিসেবে রয়েছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ। জনপ্রতিনিধিত্বকে কেবল একটি পদ হিসেবে না দেখে মানুষের সমস্যা ও প্রয়োজনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে জানান তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের কল্যাণ, এলাকার উন্নয়ন এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
মল্লিক আমিনুর রহমান বলেন, জনগণের ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের পাশে থাকার সুযোগ পেয়েছি। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার পথচলার সবচেয়ে বড় অর্জন কোনো পদ নয়—আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে পারা এবং আপনাদের কথা বলার সুযোগ পাওয়া।
আমি বিশ্বাস করি, একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু নির্বাচন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো, এলাকার সমস্যা তুলে ধরা, উন্নয়নের জন্য কাজ করা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি করা,এটাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত দায়িত্ব।
আগামী দিনেও আমার লক্ষ্য থাকবে আমাদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তা-ঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, বিশুদ্ধ খাওয়ার পানি ও নাগরিক সুবিধার সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া, শিক্ষা ও সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
আমি আপনাদের কাছে বড় কোনো প্রতিশ্রুতির তালিকা দিতে চাই না। আমি চাই, যে কাজগুলো বাস্তবসম্মত ও মানুষের প্রয়োজনীয়, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে।
আমার দীর্ঘ পথচলায় যদি কোনো ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকে, আপনারা তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং আমাকে সংশোধনের সুযোগ দেবেন। আর আমার কোনো কাজ যদি আপনাদের উপকারে এসে থাকে, সেটিই হবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই।
আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে আরও সুন্দর, উন্নত ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি।

